শ্রীশ্রী হরিগুরুচাঁদ জয়তুঃ।।
গৌড় সুন্দরের আলচনায়, যাওয়ার পূর্বে একটি বিষয়ে,স্মরন করার জন্য উত্থাপিত করে নিতেই হবে।। তথা কথিত সনাতন ভারতবর্ষ বা এখনো আদি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষের মধ্যে ধারনা, বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ এরা সনাতন ধর্মেরই মানুষ।। এবং এ-ই ধারনার সংগে আশা করি বেশির ভাগই একমত হবেন।। এবং এর যথেষ্ট যুক্তি আছে,, ভূতাত্ত্বিক গনের বিশ্লেষণ বা ঐতিহাসিক গনের একশ্রেনীর তথ্য তাই ইঙ্গিত করে।। বৌদ্ধ নিদর্শনের অনেক পূর্বেই দ্রাবিড় সভ্যতার বিকাশ এ-র আগে কোন সভ্যতা ছিল বলে এখনো কোন স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যায়নি।।তৃতীয় পর্বের আলচনায়,, আর্যের বিষয়টা উল্লেখিত রেখেছি।।তাই আর্যরা বাদে দ্রাবিড় সভ্যতার বাকী অংশ।। যুক্তিতে আদি সনাতন ধর্মের মানুষ বলে ধরে নিতেই পারে।।এবিষয় নিয়ে প্রসংগ ক্রমে পরে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করব।। তা না হলে মতুয়ার উৎপত্তির দিকে পূর্ণাঙ্গ ভাবে রুপ দান করা হবেনা।।কারন বুদ্ধের অহিংসা নিতী ও সাম্য দর্শনের, মর্মার্থের বাস্তবতা কর্মের মাধ্যমেই,, এক মাত্র হরিগুরুচাঁদ ঠাকুরই, বঙ্গভাষীদের তথা বাঙালির মধ্যে নিপুনতার সহিত পালন করে দেখিয়েছেন।।আরও একটি বিষয় গোড়া হিন্দুদের বা আর্য হিন্দুদের মধ্যে।। বুদ্ধ ধর্মালম্বীদের সংগে মতানৈক্য এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত।। সেই মতান্তর এমন এক পর্যায়ে পৌছায় ধর্ম দন্দকে সামনে রেখে।। যাহা অঘোষিত হলেও ভারতবর্ষ বিভক্ত হওয়ার অন্তরায়।।আমি১৯ ৪৭সালের পাক ভারত বিভক্তের কথা বলছিনা।। তবে ইঙ্গিত সেই ধর্মদন্দ জাতি তত্ব্য।।আমার ইঙ্গিত চিনদেশ। অবশ্য বিভক্ত হওয়ার ঐতিহাসিক আরও ব্যাখা আছে। আমি এই জন্যই শব্দটি লিখে ছি( অঘোষিত)
চিনের সংগে ভারতের যুদ্ধের কারনের মধ্যে তথাকথিত একটি ধর্ম যুদ্ধও কারন।। (অঘোষিত) এমন কি আছে দুটিদেশ আলাদা স্বাধীন হওয়ার পরেও প্রতিনিয়ত এখনও কুট নৈতিক যুদ্ধ করে যেতে হবে।। এ-ই সভ্যতার যুগে দুটি দেশই পৃথিবীতে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে নজির গড়েছে।। চোখের দেখা যে সমস্থ চিন ভারতের সিমান্ত সমস্যা এটা বৃহত্তর দেশ হিসাবে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়।। অমি মনে করি এ-ও ধর্ম দন্দ বা মতান্তর, (অঘোষিত) অনেক ইতিহাস লিখে যেতে পারেনা,, প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ও বাস্তব অনুভূতির মধ্যে জেনে নিতে হয়।। এ-ই কথা গুলো তুলে ধরার কারন আজও যারা খাটি বা আদি সনাতন ধর্ম বলে বিশ্বাসী তাদের মনে দাগ কাটে,, এই সব মানুষ গুলোতো আমার সনাতন ধর্মেরই মানুষ।। আজ আলাদা ধর্ম কেন -? তাহলে কি আর্য্য হিন্দু বা গোড়া হিন্দু অথবা বেদ নামক সেই শ্লোকের কোন ব্যাখায় জাতি ভেদের রোষানলে পড়েনিতো-?এরাকি তারাই যারা তথাকথিত বড় বড় হিন্দু, বা আর্য বা বৈদিক গনের প্রতিষ্ঠীত মন্দিরে উপাষনা করতে পারতনা -?এরা কি তারা যারা বেদ পুরান পরতে পারতনা বা দিতনা পাঠ করার অধিকার -?এরা-ইত সোনাতনের খাটি মানুষ।। কেন বুদ্ধনামেই ধর্মীয় পরিচিতি নিলেন-?এভাবে চলতে থাকলে সনাতন বলি,, হিন্দু বলি, আর্য্য বলি,, কতটা ধর্মের বৃদ্ধি পাবে।। উল্লেখিত ধারনা কিছু মানুষের মধ্যে তখন থেকেই চলে আসে।।
************-------******
যাচ্ছি গৌড় সুন্দরের কর্ম প্রতিভায়।।বিতর্ক সভার শ্লোক একাধিক যাহার প্রতিটির অংশ বা যতটুকু সেই দর্শনের মাধ্যমে পাওয়া যায়,, সেটা পুর্নাঙ্গ অনুবাদ করা ফেসবুকে সম্ভব নয়।। কিন্তু কিছুটা মর্মার্থ তুলে ধরতেই হয়।।বেদ শাস্ত্রের শ্লোকের মধ্যেই তথাকথিত সমাজ ব্যাবস্থার
পরিচালনা করার,, একটা শাসন পদ্ধতি সূক্ষ্মাকারে নিরুপন করা ছিল ।। যাতে করে ঐ নিতী পদ্ধতির ধারক বাহক যারা রচনা করেছেন তারাই।। এবং এটা যারা উপেক্ষা করবে তারা তাদের হাতেই সমাজচ্যুত হবেন।। এবং সেই বেদ নামক শাস্ত্র তাহা ছিল সংস্কৃত ভাষায়।। যাহার অর্থ সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।। পরে অবশ্য বিভিন্ন নাম দিয়ে বাংলায় বেদশাস্ত্র অনুবাদ করেছে।। তবে উল্লেখ রাখা ভালো বাংলায় অনুবাদ কারিরা,, কিছুটা বুদ্ধিমত্তার সহিত অনেকাংশে, কঠোর সিদ্ধান্তের কিছু অংশ যাহাতে,, একেবারে দৃষ্টি কটু না হয়, সেভাবেই তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।।বেদ শব্দের অর্থের মর্মার্থে যা বুঝায়,, বেদ মানে অপরিসীম জ্ঞানের ভান্ডার।। এটাকেই বর্তমান শিক্ষিত সমাজের মানুষেরা বলে থাকে।। এবং ছোট বেলায় পাঠশালায় পড়ানো হতে চারি বেদ।। সাম, ঋৃগ্ব,যজু অথর্ব। বর্তমানে দেখবেন, সাম মনুসংহিতা, ঋৃগ্বমনুসংহিতা, যজুর মনুসংহিতা, ইত্যাদি মনুসংহিতাকে সংযোজন করা হয়েছে।। এগুলো লেখার কারন বেদ একটি শব্দ,, বেদশাস্ত্র একটিশব্দ, বেদকে উদৃত করে যাহা কিছু পান্ডুলিপি, বা বইয়াকারে মুদ্রিত করা হয়। তাকে বেদশাস্ত্র বলে, ক্ষেত্র বিষেশ আখ্যা দেওয়া হয়েছে।। প্রথমে বলা হয়েছে বেদের শ্লোকের মধ্যে লুকাইত ছিল তথাকথিত সমজব্যাবস্থা বা সেই সময়কার শাসন ব্যাবস্থা।। কি নাম সেই বেদশাস্ত্রের বা এখনো সেই আইনের ক্ষুরধার অস্ত্রের রোষানলে অঘোষিত ভাবে আদি সনাতন ধর্ম বলে যারা জেনে আসছে তাদের বহু ভাগে বিভক্ত করছেনাত-?সেই আইনের বীজ নিয়ে যারা রাজ ক্ষমতায় বর্তমানেও আছে। তারাকি অঘোষিত ভাবে সেই শাসন তন্ত্রকে প্রযোগ করছেনাত-?সেই বেদশাস্ত্রটির নাম হল,, পুরহিত তন্ত্র /পুরোহিত দর্শন /ব্রহ্মপুরান ইত্যাদি।। সবাই বেদকেই উদৃত করে লিখেছেন।।যাহা হোক ঐ সকল শাস্ত্রের বিষয় ও নিমাই পন্ডিত ভালো করে রপ্ত করেছেন।।হাড়াই পন্ডিতেরা, জানতেন সেই শাসন তন্ত্রে বিধানের বাহিরে নিমাই পন্ডিতের আচরন বা চালচলন।। অর্থাৎ নিমাই ছোট বেলা থেকেই মানুষকে সমদয়া,,তার প্রতি নিষ্ঠা, সাম্যবাদ,জাতিভেদ এসব তিনি মানতেনা।।এবং যাহা কিনা ঐ শাসন তন্ত্রের সম্পূর্ণ বিপরীতে।।, ঠিক নিমাই এ-র এই দুর্বল জায়গাটা দুর্বল ভেবে বিপক্ষে পন্ডিতেরা প্রশ্নবানে বিদ্ধ করতে লাগলেন।। কিন্তুু নিমাই সকল প্রশ্নকে হাসি মুখে গ্রহন করে তার উত্তর দিতে লাগলেন।।কি তার উত্তর ছিল যার জন্য বিজ্ঞ পন্ডিত দের হারতে হলো।। কি এমন বিষয় বস্তুু ছিল যাহা মতুয়ার উৎপত্তি সহায়ক হলো।। অপেক্ষা করুন আগামী পর্বের জন্য।। যে কোন ত্রুটির জন্য ক্ষমার চোখে দেখবেন।। সবাই ভালো থাকুন জয়হরিবল।।
গৌড় সুন্দরের আলচনায়, যাওয়ার পূর্বে একটি বিষয়ে,স্মরন করার জন্য উত্থাপিত করে নিতেই হবে।। তথা কথিত সনাতন ভারতবর্ষ বা এখনো আদি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষের মধ্যে ধারনা, বৌদ্ধ ধর্মের মানুষ এরা সনাতন ধর্মেরই মানুষ।। এবং এ-ই ধারনার সংগে আশা করি বেশির ভাগই একমত হবেন।। এবং এর যথেষ্ট যুক্তি আছে,, ভূতাত্ত্বিক গনের বিশ্লেষণ বা ঐতিহাসিক গনের একশ্রেনীর তথ্য তাই ইঙ্গিত করে।। বৌদ্ধ নিদর্শনের অনেক পূর্বেই দ্রাবিড় সভ্যতার বিকাশ এ-র আগে কোন সভ্যতা ছিল বলে এখনো কোন স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যায়নি।।তৃতীয় পর্বের আলচনায়,, আর্যের বিষয়টা উল্লেখিত রেখেছি।।তাই আর্যরা বাদে দ্রাবিড় সভ্যতার বাকী অংশ।। যুক্তিতে আদি সনাতন ধর্মের মানুষ বলে ধরে নিতেই পারে।।এবিষয় নিয়ে প্রসংগ ক্রমে পরে বিস্তারিত তুলে ধরার চেষ্টা করব।। তা না হলে মতুয়ার উৎপত্তির দিকে পূর্ণাঙ্গ ভাবে রুপ দান করা হবেনা।।কারন বুদ্ধের অহিংসা নিতী ও সাম্য দর্শনের, মর্মার্থের বাস্তবতা কর্মের মাধ্যমেই,, এক মাত্র হরিগুরুচাঁদ ঠাকুরই, বঙ্গভাষীদের তথা বাঙালির মধ্যে নিপুনতার সহিত পালন করে দেখিয়েছেন।।আরও একটি বিষয় গোড়া হিন্দুদের বা আর্য হিন্দুদের মধ্যে।। বুদ্ধ ধর্মালম্বীদের সংগে মতানৈক্য এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত।। সেই মতান্তর এমন এক পর্যায়ে পৌছায় ধর্ম দন্দকে সামনে রেখে।। যাহা অঘোষিত হলেও ভারতবর্ষ বিভক্ত হওয়ার অন্তরায়।।আমি১৯ ৪৭সালের পাক ভারত বিভক্তের কথা বলছিনা।। তবে ইঙ্গিত সেই ধর্মদন্দ জাতি তত্ব্য।।আমার ইঙ্গিত চিনদেশ। অবশ্য বিভক্ত হওয়ার ঐতিহাসিক আরও ব্যাখা আছে। আমি এই জন্যই শব্দটি লিখে ছি( অঘোষিত)
চিনের সংগে ভারতের যুদ্ধের কারনের মধ্যে তথাকথিত একটি ধর্ম যুদ্ধও কারন।। (অঘোষিত) এমন কি আছে দুটিদেশ আলাদা স্বাধীন হওয়ার পরেও প্রতিনিয়ত এখনও কুট নৈতিক যুদ্ধ করে যেতে হবে।। এ-ই সভ্যতার যুগে দুটি দেশই পৃথিবীতে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে নজির গড়েছে।। চোখের দেখা যে সমস্থ চিন ভারতের সিমান্ত সমস্যা এটা বৃহত্তর দেশ হিসাবে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়।। অমি মনে করি এ-ও ধর্ম দন্দ বা মতান্তর, (অঘোষিত) অনেক ইতিহাস লিখে যেতে পারেনা,, প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ও বাস্তব অনুভূতির মধ্যে জেনে নিতে হয়।। এ-ই কথা গুলো তুলে ধরার কারন আজও যারা খাটি বা আদি সনাতন ধর্ম বলে বিশ্বাসী তাদের মনে দাগ কাটে,, এই সব মানুষ গুলোতো আমার সনাতন ধর্মেরই মানুষ।। আজ আলাদা ধর্ম কেন -? তাহলে কি আর্য্য হিন্দু বা গোড়া হিন্দু অথবা বেদ নামক সেই শ্লোকের কোন ব্যাখায় জাতি ভেদের রোষানলে পড়েনিতো-?এরাকি তারাই যারা তথাকথিত বড় বড় হিন্দু, বা আর্য বা বৈদিক গনের প্রতিষ্ঠীত মন্দিরে উপাষনা করতে পারতনা -?এরা কি তারা যারা বেদ পুরান পরতে পারতনা বা দিতনা পাঠ করার অধিকার -?এরা-ইত সোনাতনের খাটি মানুষ।। কেন বুদ্ধনামেই ধর্মীয় পরিচিতি নিলেন-?এভাবে চলতে থাকলে সনাতন বলি,, হিন্দু বলি, আর্য্য বলি,, কতটা ধর্মের বৃদ্ধি পাবে।। উল্লেখিত ধারনা কিছু মানুষের মধ্যে তখন থেকেই চলে আসে।।
************-------******
যাচ্ছি গৌড় সুন্দরের কর্ম প্রতিভায়।।বিতর্ক সভার শ্লোক একাধিক যাহার প্রতিটির অংশ বা যতটুকু সেই দর্শনের মাধ্যমে পাওয়া যায়,, সেটা পুর্নাঙ্গ অনুবাদ করা ফেসবুকে সম্ভব নয়।। কিন্তু কিছুটা মর্মার্থ তুলে ধরতেই হয়।।বেদ শাস্ত্রের শ্লোকের মধ্যেই তথাকথিত সমাজ ব্যাবস্থার
পরিচালনা করার,, একটা শাসন পদ্ধতি সূক্ষ্মাকারে নিরুপন করা ছিল ।। যাতে করে ঐ নিতী পদ্ধতির ধারক বাহক যারা রচনা করেছেন তারাই।। এবং এটা যারা উপেক্ষা করবে তারা তাদের হাতেই সমাজচ্যুত হবেন।। এবং সেই বেদ নামক শাস্ত্র তাহা ছিল সংস্কৃত ভাষায়।। যাহার অর্থ সাধারণ মানুষের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।। পরে অবশ্য বিভিন্ন নাম দিয়ে বাংলায় বেদশাস্ত্র অনুবাদ করেছে।। তবে উল্লেখ রাখা ভালো বাংলায় অনুবাদ কারিরা,, কিছুটা বুদ্ধিমত্তার সহিত অনেকাংশে, কঠোর সিদ্ধান্তের কিছু অংশ যাহাতে,, একেবারে দৃষ্টি কটু না হয়, সেভাবেই তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।।বেদ শব্দের অর্থের মর্মার্থে যা বুঝায়,, বেদ মানে অপরিসীম জ্ঞানের ভান্ডার।। এটাকেই বর্তমান শিক্ষিত সমাজের মানুষেরা বলে থাকে।। এবং ছোট বেলায় পাঠশালায় পড়ানো হতে চারি বেদ।। সাম, ঋৃগ্ব,যজু অথর্ব। বর্তমানে দেখবেন, সাম মনুসংহিতা, ঋৃগ্বমনুসংহিতা, যজুর মনুসংহিতা, ইত্যাদি মনুসংহিতাকে সংযোজন করা হয়েছে।। এগুলো লেখার কারন বেদ একটি শব্দ,, বেদশাস্ত্র একটিশব্দ, বেদকে উদৃত করে যাহা কিছু পান্ডুলিপি, বা বইয়াকারে মুদ্রিত করা হয়। তাকে বেদশাস্ত্র বলে, ক্ষেত্র বিষেশ আখ্যা দেওয়া হয়েছে।। প্রথমে বলা হয়েছে বেদের শ্লোকের মধ্যে লুকাইত ছিল তথাকথিত সমজব্যাবস্থা বা সেই সময়কার শাসন ব্যাবস্থা।। কি নাম সেই বেদশাস্ত্রের বা এখনো সেই আইনের ক্ষুরধার অস্ত্রের রোষানলে অঘোষিত ভাবে আদি সনাতন ধর্ম বলে যারা জেনে আসছে তাদের বহু ভাগে বিভক্ত করছেনাত-?সেই আইনের বীজ নিয়ে যারা রাজ ক্ষমতায় বর্তমানেও আছে। তারাকি অঘোষিত ভাবে সেই শাসন তন্ত্রকে প্রযোগ করছেনাত-?সেই বেদশাস্ত্রটির নাম হল,, পুরহিত তন্ত্র /পুরোহিত দর্শন /ব্রহ্মপুরান ইত্যাদি।। সবাই বেদকেই উদৃত করে লিখেছেন।।যাহা হোক ঐ সকল শাস্ত্রের বিষয় ও নিমাই পন্ডিত ভালো করে রপ্ত করেছেন।।হাড়াই পন্ডিতেরা, জানতেন সেই শাসন তন্ত্রে বিধানের বাহিরে নিমাই পন্ডিতের আচরন বা চালচলন।। অর্থাৎ নিমাই ছোট বেলা থেকেই মানুষকে সমদয়া,,তার প্রতি নিষ্ঠা, সাম্যবাদ,জাতিভেদ এসব তিনি মানতেনা।।এবং যাহা কিনা ঐ শাসন তন্ত্রের সম্পূর্ণ বিপরীতে।।, ঠিক নিমাই এ-র এই দুর্বল জায়গাটা দুর্বল ভেবে বিপক্ষে পন্ডিতেরা প্রশ্নবানে বিদ্ধ করতে লাগলেন।। কিন্তুু নিমাই সকল প্রশ্নকে হাসি মুখে গ্রহন করে তার উত্তর দিতে লাগলেন।।কি তার উত্তর ছিল যার জন্য বিজ্ঞ পন্ডিত দের হারতে হলো।। কি এমন বিষয় বস্তুু ছিল যাহা মতুয়ার উৎপত্তি সহায়ক হলো।। অপেক্ষা করুন আগামী পর্বের জন্য।। যে কোন ত্রুটির জন্য ক্ষমার চোখে দেখবেন।। সবাই ভালো থাকুন জয়হরিবল।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন