শ্রী শ্রী হরিগুরুচাঁদ জয়তুঃ।
চতুর্থ পর্বে আমার সংগে থাকা সবাইকে শ্রেনীনুযায়ী প্রনাম ভালো বাসা জানিয়ে শুরু করছি।। **********-মহাপ্রভু পন্ডিতদের সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেন। সেক্ষেত্রে পূুর্বেই মহা প্রভু অবগত ছিলেন।। তাকে পন্ডিত বর্গের শাস্ত্রীয় রোষানলে পরতে হচ্ছেই। সেই সকল প্রশ্ন মুলুক শ্লোক বা তার প্রতি উত্তর ফেসবুকে সব তুলে ধরা সম্ভব না।। আগেই বলেছি,, এবং যারা ফেসবুকে আছেন তারা এত লেখা ধৈর্য্য ধরে পড়ার সময়ও নেই,,তাই শুধু মাত্র মর্মার্থই তুলে ধরেছি।।
****--********---******-*মহাপ্রভু বললেন,হে আমার পূজ্যপাদ মহা পন্ডিত গন-বেদ,পুরান, শাস্ত্র দর্শন এ-র সর্বা মুলাধারকে-?এবং আমরা-- যে ধর্ম পালন করি তারইবা স্রষ্ঠা কে -?আমরা যে দর্শন শাস্ত্রনুযায়ী সংস্কারে চলছি কিই বা তার সঠিক পদ্ধতি -?
**----*****-***--****
বাংলা অনুবাদে,এবং ঐতিহাসিক সু যুক্তির বিধানে বা পর বর্তী কালের মহা প্রভুর জীবনালেখ্য,, যে সকল গ্রন্থাকারে পূস্তক বেরিয়েছে,, যথা ক্রমে নিমাই সন্যাস,,অমিয় নিমাই চরিত,, চৈতান্য চরিতামৃত,, চৈতান্য ভগবৎ, ইত্যাদি গ্রন্থ।।তৎ সহ নিমাই এ-র জন্ম ভিটায় আজও কিছু ভূতপূর্ব নিদর্শন আছে।। যাহা ঐ সমাজের এখনও বেশ কিছু মানুষ,, ঐ এলেকায় যে কোন গৌড় সুন্দরকে কেন্দ্র করে মঠ মন্দিরে তারা থাকেনা।। অথচ মহাপ্রভুকে নিয়ে তার ঐতিহাসিক কিছু সত্যতা লোক কথার ন্যায় তারা বলে থাকেন।।আরও একটি বিষয় বর্তমান মায়াপুরে বা নবদ্বীপে। মহা প্রভুকে কেন্দ্র করে বহু মঠ মন্দির গড়ে উঠেছে সবাই পরম সত্যটা স্বীকার না করলেও।। অনেকেই জানেন মহা প্রভুর জীবনে কতটাই,, ঐ শাস্ত্র যুদ্ধের নামে--ব্রাহ্মন পন্ডিত গনের সংগে-।।- ধর্ম যুদ্ধকে অগ্রভাগে রেখে জীবন যুদ্ধ করতে হয়েছে।।
অবশ্য উল্লেখিত বেশির ভাগ গ্রন্থের মধ্যে মহাপ্রভুর ঐতিহাসিক পটভূমিকার কথা লেখার ধরনটা খুবই কম।। অনেকে প্রথমে আমার কথা বুঝতে সময় লাগতে পারে।।তবে পরবর্তীতে ভক্তি মার্গের শ্রতাদের অনেক ধোঁয়াসা কেটে যাবে।।
********------******-***
সুতরাং ধর্মীয়ী তর্ক যুদ্ধের কারনেই তার সারাংশ ধরে প্রশ্নের মালায়,, ধর্মের মূলা ধারকে,, বেদশাস্ত্রে মূলে কে,,ও সংস্কার কি বা কেন-এটা আমাকে লিখতে হয়েছে।।মহা প্রভু তাদেরই উদ্দেশ্য বেদশাস্ত্রের ভক্তিবাদের তত্ব্যকে দাড় করিয়ে বললেন,।। হে পন্ডিত গন শুনুন আপনি/আমি এমনকি জগতের সবকিছুর মূলে রয়েছেন একজন স্রষ্ঠা।।*** ধর্মমূলহিঃ ভগবান, স্বর্ব বেদময়ঃহরি।।******ধর্মের মূলে হরি,বেদের মূলে হরি সংস্কারে হরি,আপনার আমার মধ্যে হরি, জগৎটাই হরিময়।তর্কে হরি, হরিকে কি কখনও হারানো যায় -?ভক্তি বাদের ব্যাখায় পন্ডিত গন চৈতান্য দেবের উদারতা,মহানুভবতা,, সততা,এবং সর্বোপরি সাম্যবাদ বেরিয়ে আসায় তাদের বাক শক্তি রহিত হয়ে যায়।। এবং এভাবেই ভক্তিবাদের গতিবৃদ্ধি পেতে শুরু করেন।। এবং সেটার নিদর্শন চৈতান্য মহাপ্রভু নিজেই।। পরবর্তী কালে মানুষের মধ্যে হরিনাম বিতরন করার কাজে নিজেকে নিয়জিত করেন।। এবং তার কর্মময় জীবনে ভগবান কৃষ্ণকে,, তুলে ধরলেন অন্য মাত্রায়।। এখানে অন্য মাত্রায় কৃষ্ণকে বলা হলো কেন-? তবে একোন কৃষ্ণ -? এ-র ব্যাখায় মতুয়া উৎপত্তির কতটুকুই বা সহায়তা পেতে পারে।।চোখ রাখুন ও সংগে থাকুন।। আগামী পর্বের অপেক্ষায়।।
**********-------******--*
যে কোন ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থী।।জয়হরিবল।।
চতুর্থ পর্বে আমার সংগে থাকা সবাইকে শ্রেনীনুযায়ী প্রনাম ভালো বাসা জানিয়ে শুরু করছি।। **********-মহাপ্রভু পন্ডিতদের সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার প্রস্তুতি নিলেন। সেক্ষেত্রে পূুর্বেই মহা প্রভু অবগত ছিলেন।। তাকে পন্ডিত বর্গের শাস্ত্রীয় রোষানলে পরতে হচ্ছেই। সেই সকল প্রশ্ন মুলুক শ্লোক বা তার প্রতি উত্তর ফেসবুকে সব তুলে ধরা সম্ভব না।। আগেই বলেছি,, এবং যারা ফেসবুকে আছেন তারা এত লেখা ধৈর্য্য ধরে পড়ার সময়ও নেই,,তাই শুধু মাত্র মর্মার্থই তুলে ধরেছি।।
****--********---******-*মহাপ্রভু বললেন,হে আমার পূজ্যপাদ মহা পন্ডিত গন-বেদ,পুরান, শাস্ত্র দর্শন এ-র সর্বা মুলাধারকে-?এবং আমরা-- যে ধর্ম পালন করি তারইবা স্রষ্ঠা কে -?আমরা যে দর্শন শাস্ত্রনুযায়ী সংস্কারে চলছি কিই বা তার সঠিক পদ্ধতি -?
**----*****-***--****
বাংলা অনুবাদে,এবং ঐতিহাসিক সু যুক্তির বিধানে বা পর বর্তী কালের মহা প্রভুর জীবনালেখ্য,, যে সকল গ্রন্থাকারে পূস্তক বেরিয়েছে,, যথা ক্রমে নিমাই সন্যাস,,অমিয় নিমাই চরিত,, চৈতান্য চরিতামৃত,, চৈতান্য ভগবৎ, ইত্যাদি গ্রন্থ।।তৎ সহ নিমাই এ-র জন্ম ভিটায় আজও কিছু ভূতপূর্ব নিদর্শন আছে।। যাহা ঐ সমাজের এখনও বেশ কিছু মানুষ,, ঐ এলেকায় যে কোন গৌড় সুন্দরকে কেন্দ্র করে মঠ মন্দিরে তারা থাকেনা।। অথচ মহাপ্রভুকে নিয়ে তার ঐতিহাসিক কিছু সত্যতা লোক কথার ন্যায় তারা বলে থাকেন।।আরও একটি বিষয় বর্তমান মায়াপুরে বা নবদ্বীপে। মহা প্রভুকে কেন্দ্র করে বহু মঠ মন্দির গড়ে উঠেছে সবাই পরম সত্যটা স্বীকার না করলেও।। অনেকেই জানেন মহা প্রভুর জীবনে কতটাই,, ঐ শাস্ত্র যুদ্ধের নামে--ব্রাহ্মন পন্ডিত গনের সংগে-।।- ধর্ম যুদ্ধকে অগ্রভাগে রেখে জীবন যুদ্ধ করতে হয়েছে।।
অবশ্য উল্লেখিত বেশির ভাগ গ্রন্থের মধ্যে মহাপ্রভুর ঐতিহাসিক পটভূমিকার কথা লেখার ধরনটা খুবই কম।। অনেকে প্রথমে আমার কথা বুঝতে সময় লাগতে পারে।।তবে পরবর্তীতে ভক্তি মার্গের শ্রতাদের অনেক ধোঁয়াসা কেটে যাবে।।
********------******-***
সুতরাং ধর্মীয়ী তর্ক যুদ্ধের কারনেই তার সারাংশ ধরে প্রশ্নের মালায়,, ধর্মের মূলা ধারকে,, বেদশাস্ত্রে মূলে কে,,ও সংস্কার কি বা কেন-এটা আমাকে লিখতে হয়েছে।।মহা প্রভু তাদেরই উদ্দেশ্য বেদশাস্ত্রের ভক্তিবাদের তত্ব্যকে দাড় করিয়ে বললেন,।। হে পন্ডিত গন শুনুন আপনি/আমি এমনকি জগতের সবকিছুর মূলে রয়েছেন একজন স্রষ্ঠা।।*** ধর্মমূলহিঃ ভগবান, স্বর্ব বেদময়ঃহরি।।******ধর্মের মূলে হরি,বেদের মূলে হরি সংস্কারে হরি,আপনার আমার মধ্যে হরি, জগৎটাই হরিময়।তর্কে হরি, হরিকে কি কখনও হারানো যায় -?ভক্তি বাদের ব্যাখায় পন্ডিত গন চৈতান্য দেবের উদারতা,মহানুভবতা,, সততা,এবং সর্বোপরি সাম্যবাদ বেরিয়ে আসায় তাদের বাক শক্তি রহিত হয়ে যায়।। এবং এভাবেই ভক্তিবাদের গতিবৃদ্ধি পেতে শুরু করেন।। এবং সেটার নিদর্শন চৈতান্য মহাপ্রভু নিজেই।। পরবর্তী কালে মানুষের মধ্যে হরিনাম বিতরন করার কাজে নিজেকে নিয়জিত করেন।। এবং তার কর্মময় জীবনে ভগবান কৃষ্ণকে,, তুলে ধরলেন অন্য মাত্রায়।। এখানে অন্য মাত্রায় কৃষ্ণকে বলা হলো কেন-? তবে একোন কৃষ্ণ -? এ-র ব্যাখায় মতুয়া উৎপত্তির কতটুকুই বা সহায়তা পেতে পারে।।চোখ রাখুন ও সংগে থাকুন।। আগামী পর্বের অপেক্ষায়।।
**********-------******--*
যে কোন ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থী।।জয়হরিবল।।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন