শনিবার, ৪ জুন, ২০২২

শ্রমজীবী মানুষের মুক্তি

 প্রকৃত সত্য ও ঐতিহাসিক তথ্য : দেশবাসীর/শ্রমজীবি মানুষের কল‍্যানে .... 


 ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দের ২০ জুলাই ডঃ  বাবাসাহেব আম্বেদকর ব্রিটিশ সরকারের ভাইসরয়ের (Viceroy) অধীন মন্ত্রীসভায় শ্রমমন্ত্রী (Labour Member) নিযুক্ত হন। 

১৯৪৬ সাল পর্যন্ত তিনি ওই পদে বহাল ছিলেন। 

ব্রিটিশ সরকারের অধীন মন্ত্রীসভার শ্রমমন্ত্রী হিসাবে তিনি যেসব কাজ করেছিলেন তা সমস্ত দেশবাসীর জন্য।

সমস্ত জাতিবর্ণের সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের সামাজিক সুরক্ষার জন্য তিনি লড়াই করেছেন।


তার মধ্যে কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলোঃ-


(1) Joint Labour Management Committee :-  


সরকার, মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধের ক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ আলোচনার জন্য আগেই আম্বেদকরের পূর্বসূরি স্যার ফিরোজ খাঁ নুনের সময়ে Tripartite Labour Conference-এ একটি Standing Labour Committee গঠন করা হয়েছিল। 

বম্বে সেক্রেটারিয়েটে ১৯৪৩ সালের ৭ মে আম্বেদকরের সভাপতিত্বে ওই কমিটির তৃতীয় সভায় এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়। 

এই কমিটিতে কারখানা পরিচালনায় শ্রমিকদের প্রতিনিধি রাখার সংস্থান রাখা হয়।


(2) Employment Exchange :- 


ওই একই সভায় ভারতে প্রথম শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োগ করার জন্য Emploment Exchange গঠন করার প্রস্তাব গৃহীত হয়। 

এর ফলে ইচ্ছামতো মামা-কাকার জোরে শ্রমিক-কর্মচারী নিয়োগ প্রথা বন্ধ হয়; 

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দক্ষ এবং আধা-দক্ষ শ্রমিক-কর্মচারী যারা Employment Exchange-এ নাম লিখিয়েছেন তাঁদের ভেতর থেকেই নিয়োগ করা বাধ্যতামূলক করা হয়।


(3) Trade Union:-


ভারতের সর্বত্র বিভিন্ন অফিস, কলকারখানা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে শ্রমিক ইউনিয়ন থাকলেও আইনগতভাবে সেগুলির কোনো সরকারি স্বীকৃতি ছিল না। 

ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকরের প্রচেষ্টায়ই সর্বপ্রথম সেগুলিকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ‘ভারতীয় শ্রমিক সমিতি (সংশোধনী) বিল’ পাশ হয়। 

এর ফলে শ্রমিক-কর্মচারীদের Trade Union করার অধিকার আইনসঙ্গত হয়।


(4) কাজের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া:- 


আগে শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজের সময়ের কোনো সময়সীমা ছিল না। 

১০ থেকে ১৪/১৬ ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করতে হত। এজন্য তাঁদের কোনো বাড়তি মজুরি দেওয়া হত না। 

ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকরই এই সময়সীমা ৮ ঘন্টায় বেঁধে দেন। 

এর অতিরিক্ত কাজ করালে তার জন্য Over-time Salary দেবার আইন পাশ করেন।


(5) Labour Investigation Committee :- 


শ্রমিক শ্রেণির বেতন, খাদ্য, পোশাক, বাসস্থান, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা ইত্যাদি বিষয় পর্যালোচনা করা এবং তার সুষ্ঠু ব্যবস্থা করার জন্য এই কমিটি গঠন করেন এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করেন। 

সেগুলির মধ্যে শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য E.S.I Hospital সৃষ্টি করা। 

এ ছাড়া শ্রমিকদের  সরকারি খরচে প্রশিক্ষণ দেওয়ার আইনও তিনি করে যান।


(6) Coal Mine Labour Welfare Fund Ordinance :- 


শ্রমমন্ত্রী ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর কয়লাখনির শ্রমিকদের আর্থিক উন্নয়ন করার উদ্দেশ্যে এই আইন পাশ করেন।


(7) The Factories Amendment Bill :-


আগে শিল্প-কলকারখানায় কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া আর কোনো সবেতন ছুটির ব্যবস্থা ছিল না। 

কেউ অনুপস্থিত থাকলে তার বেতন কাটা যেত। শ্রমমন্ত্রী ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর এই আইন পাশ করে কলকারখানার প্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক কর্মচারীদের বছরে ১০ দিন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক শ্রমিক-কর্মচারীদের ১৪ দিন সবেতন ছুটির ব্যবস্থা করেন।


(8) নারী-পুরুষের সমহারে বেতন :- 


আগে পুরুষ শ্রমিকদের তুলনায় মহিলা শ্রমিকদের বেতন কম ছিল। 

ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর আইন করে এই বৈষম্য দূর করেন। 

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে একই কাজের জন্য একই বেতনের আইন তিনি পাশ করেন।


(9) মাতৃত্বকালীন ছুটি :- 


আগে সন্তান জন্ম দেওয়া ও তার প্রতিপালনের জন্য নারী শ্রমিকদের বেতন ছাড়া ছুটি নিতে হত। ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকর সন্তান প্রসবের আগে ১০ সপ্তাহ এবং প্রসবের পরে ৬ সপ্তাহের সবেতন ছুটির আইন পাশ করেন।


(10) Protection of Minimum Wage Bill :- 


ডঃ বাবাসাহেব আম্বেদকরের মন্ত্রীত্বের শেষের দিকে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল এনেছিলেন। 


কিন্তু সেই বিলটি তিনি পাশ করিয়ে যেতে পারেননি।

বিলটি ছিল ‘সর্বনিম্ন বেতনের নিরাপত্তা বিল’। 

এতে বলা হয়েছিল শ্রমিকদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি অ্যাডভাইসরি বোর্ড ও একটি অ্যাডভাইসরি কমিটি থাকবে। 

এতে থাকবে মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সমসংখ্যক সদস্য। 

তাদের সুপারিশে শ্রমিকদের সর্বনিম্ন বেতন ধার্য হবে। 

এই বিলটি দু’বছর পরে স্বাধীনোত্তরকালে জগজীবন রাম শ্রমমন্ত্রী থাকার সময় পাশ হয়।


এখানে উল্লেখিত যে আইনগুলি শ্রমমন্ত্রী থাকাকালে ডঃ ভীমরাও রামজী  আম্বেদকর বিধিবদ্ধ করে গেছেন ।


সবগুলিই জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত দেশবাসীর কল্যাণের জন্য তিনি করে গেছেন।

নারীদের স্বাধীনতা

 ================

নারীজাতির মুক্তিদাতা

Dr.B.R.AMBEDKAR


আজ যে মায়েরা ও বোনেরা দল বেঁধে পুজো করতে যাচ্ছেন তাঁরা একটু পড়ুন।


আজকের দিনে 1951 সালে 5 ই ফেব্রুয়ারি বাবাসাহেব আইন মন্ত্রী থাকাকালীন  #হিন্দুকোড বিলটি প্রথম পেশ করেন।যেখানে 9 টি পার্ট এবং 139 টি আর্টিকেল ছিল।


#তৎকালীন কংগ্রেস তথা নেহেরু সরকার

সমর্থন করেননি বলে, বাবাসাহেব আইনমন্ত্রি থেকে ক্ষোভে দুঃখে জর্জরিত হয়ে পদত্যাগ করেছিলেন।


যেগুলির অল্প কিছু আইন পরবর্তীতে পাশ হয়েছে

Babasaheb Ambedkar’s ideas influenced the enactment of many subsequent pro-women Acts viz. 


#Sati Prevention Act, 1987, 

Dowry Prohibition Act, 1961, 

The Family Courts Act, 1984, 

Protection of Human Right Act, 1993, 

The Maternity Benefit Act 1961, 

Immoral Traffic (Prevention) Act, 1956, 

The Child Marriage Restraint Act, 1929, 

The Equal Remuneration Act, 1976, 

The National Commission for 

Women Act, 1990, 

Protection of Women from 

Domestic Violence Act, 2005.


বর্তমান সমাজে সংরক্ষিত আসনে MP, MLA এর কজনের বুকের পাটা আছে যে তার সমাজের মানুষের জন্য কোন বিল পাস না হলে তিনি ইস্তফা দিয়ে চলে আসবেন।


আজকে হিন্দু সমাজে তথা ভারতবর্ষের সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষ যারা বাবাসাহেব ডঃ বি আর আম্বেদকর কে ঘৃণার চোখে দেখেন তারা কি সত্যি জানেন আপনার ঘরের মা বোনেদের জন্য তিনি কি কি কাজ করে গেছেন।

আর সংরক্ষণের জন্য যারা বাবাসাহেব কে গালাগাল করেন বিশেষ করে  উচ্চবর্ণের সমাজের মেয়েগুলো তারা কি জানে হিন্দু সমাজে তাদের কি অবস্থান ছিল নারী হিসেবে??


They succeeded in passing four Hindu code bills in 1955–56: the Hindu Marriage Act, Hindu Succession Act, Hindu Minority and Guardianship Act, and Hindu Adoptions and Maintenance Act.


মনুসংহিতা অনুযায়ী নারীকে নরকের দ্বার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

হিন্দুশাস্ত্র ''মনুসংহিতায়'' বলছে -অমন্ত্রীকা তু কার্যেয়ং স্ত্রীণামাবৃদ শেযতঃ(২/৬৬) অর্থাৎ নারীকে ও মন্ত্র ও অশিক্ষিত রাখতে হবে। পুজো বিবাহ-শ্রাদ্ধাদি সব ক্ষেত্রে শূদ্র ও নারী "ওঁ" মন্ত্র উচ্চারণ করবে না তারা শুধুমাত্র নমঃ উচ্চারণ করবে। 

প্রসঙ্গে বলতে হয়:-হিন্দু সমাজের মন্দির পূজা রচনা সামাজিক কার্যক্রম কোথাও নারীর উপস্থিতি পাপ বলে বিবেচিত হতো।


এক নজরে দেখে নেওয়া যাক বাবাসাহেব এই হিন্দু কোড বিল সমাজ সংস্কারের জন্য কি কি আইন সংশোধন করেছিলেন।


১) সমাজে নারীদের শিক্ষার কোন অধিকার ।

২) নারীর শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে চাকরি করার           

অধিকার।

৪) চাকরিতে সমান বেতনের অধিকার।

৫) চাকরির সময় মাতৃত্বকালীন ছুটি(১৯৪৬ ইংরেজ সরকারের কাছ থেকে আদায় করে আনেন)।


৬) বাবার সম্পত্তিতে সমান অধিকার।

প্রসঙ্গে বলতে হয়:-নারীর সঞ্চার কোন অধিকার নেই অর্থশূন্য করে পরাধীন রাখতে হবে (মনুসংহিতায় ৮/৪২৬এবং ৯/২)


নারীর উপনয়ন -পৈতে দেয়ার কোন অধিকার নেই

উপনয়ন,স্বামীর ঘরে বাস হলো গুরুগৃহে বাস এবং স্বামীর সেবাই হল বেদ পাঠ(২/৬৭,৫/১৫৫)


৭) স্বামীর সম্পত্তিতে সমান অধিকার

৮) প্রয়োজনে নিঃসন্তান দম্পতিদের দত্তক নেওয়ার অধিকার।


৯) ইন্টার কাস্ট ম্যারেজ এর অধিকার

আজকে যে সমস্ত ছেলে মেয়েরা ভালোবাসা করে অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে বিবাহ সম্পর্ক স্থাপন করেছে এই আইন না থাকলে তারা করে শান্তিতে ঘুমাতে পারতো না।


১০) পুরুষের বহু বিবাহ বন্ধ করার অধিকার।

আর যারা বাবাসাহেব কে গালাগাল করেন সত্যি মনে হয় বহুবিবাহ যদি চালু থাকত তাহলে বোধহয় ঠিকই হত। একজন কুলীন ব্রাহ্মণ এর তৎকালীন বিয়ের সংখ্যা মৃত্যুর আগ পর্যন্তএই বিলের বিরোধিতা করেছিলেন তৎকালীন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এবং কংগ্রেসের ব্রাহ্মণ্যবাদী নেতা-মন্ত্রী গন।

১১) পুরুষের যাঁতাকলে না থাকার জন্য ডিভোর্সের অধিকার।এই অধিকার দিয়ে বাবা সাহেব বোধায় ভুল ই করে গেছেন।

এই প্রসঙ্গে বলতে হয়:-নারীকে কেবলমাত্র ভোগের সামগ্রী, সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র, নারীকে পুড়িয়ে মারা পতিতালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া, একজন কুলীন ব্রাহ্মণ শতাধিক বিয়ে করতেন তার জন্য হিসাবের খাতা তৈরি করতেন। স্ত্রী স্বামীর দাসি নয় সে জীবন সঙ্গিনী উভয়ের সমান মর্যাদা থাকবে। এক বামন মারা যাওয়ার আগের দিন পর্যন্ত বিয়ে করতে পারতেন যাকে বলা হত #অন্তর্যলী যাত্রা।


১২) নাবালিকা মেয়েদের বিয়ে দেওয়া বন্ধের অধিকার, যেখানে হিন্দু ধর্ম মতে 12 বছরের মধ্যে নারীকে পাত্রস্থ করার কথা রয়েছে মনুসংহিতা অনুযায়ী।

প্রসঙ্গে বলতে হয়: নারী বাললে থাকবে পিতার অধীনে যৌবনে স্বামীর অধীনে ও বাধ্য থাকবে পুত্রের অধীনে (মনুসংহিতায় ৫/১৪৮ এবং ৯/৩)


স্বামীর সেবায় স্ত্রী তার রূপ গুণ বয়স বিচার করবে না, দেখতে সুন্দর হোক বা খারাপ হোক বা অল্প বয়সে বেশি বয়সে যে কোন পুরুষকে তার সঙ্গে যৌন ক্রিয়া করবে (মনুসংহিতায় 9/14)


প্রসঙ্গে বলতে হয় বাবাসাহেব একাধারে সংবিধান চালু করে সমাজের থেকে নারীর প্রতি কুসংস্কারগুলো যেভাবে ধ্বংস করেছেন সেগুলি হল

#মনুসংহিতা অনুযায়ী নারীদের ধর্মীয় আচরণ এ যোগদান দেওয়া অপরাধ।

#মনুসংহিতা অনুযায়ী মেয়েরা পৌরোহিত্য করতে পারবে না

#মনুসংহিতা অনুযায়ী  স্বামীর অত্যাচার এর বিরোধীতা করতে পারবে না।


####মনুসংহিতা অনুযায়ী নারীকে সতীত্বের প্রমাণ দেওয়া।

(যার জন্য 10 থেকে 12 মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হতো)

সেই মেয়েগুলোর কাছে প্রশ্ন যারা আজ বড় গলায় বাবাসাহেব এর সংবিধান এর বিরোধিতা করেন ফিরে আসুক তাহলে সতীত্ব প্রমাণ দেওয়ার রীতি নীতি কি বলেন আপনারা?


#মনুসংহিতা অনুযায়ী এক পুরুষ শতাধিক।


#মনুসংহিতা অনুযায়ী নারীর ঋতুকালীন অবস্থায় 

মন্দিরে ঢোকার পাপ বলে গণ্য হত।


#মনুসংহিতা অনুযায়ী নারী শুধুমাত্র ভোগের বস্তু, কন্যা হলো দানের বস্তুর মতো। যার জন্য বিয়েতে কন্যা দান করা হত।

#মনুসংহিতা অনুযায়ী স্ত্রীকে প্রথম 3 দিন গুরুদেবের কাছে থাকতে হতো যেটি গুরু দাসী প্রথা প্রচলিত ছিল।

#মনুসংহিতা অনুযায়ী দেবদাসী থাকবে।

যাদের ভোগদখল শারীরিক শোষণ তৎকালীন পূজারীরা করতেন।

#মনুসংহিতা অনুযায়ী নারীর  বেদ পাঠ নিষিদ্ধ ছিল।

#নারী পড়াশোনা শিখলে নাকি পতিতালয়ে চলে  এটি প্রচলিত ছিল হিন্দু ধর্ম  মধ্যে।


এছাড়াও হাজারো রকমের ব্রাহ্মণ্যবাদ হিন্দু ধর্ম রীতি অনুযায়ী যেগুলো ছিল সেগুলো বাবাসাহেব তার পবিত্র সংবিধান এর মাধ্যমে এক নিমিষেই ধ্বংস করে দিয়েছে আইনত কিন্তু সমাজে এখনও আনাচে-কানাচে আমরা এখনো তার জ্বলন্ত উদাহরণ দেখতে পাই।


আজ যে সমস্ত উচ্চবর্ণ তথা সকল সমাজের ছেলেমেয়েরা বাবা সাহেবের সংরক্ষণের জন্য শুধুমাত্র বিরোধিতা করেন।

তাদের কাছে একটি প্রশ্ন উপরোক্ত হিন্দু ধর্মীয় রীতি-নীতি যদি পুনরায় ফিরে আসে তাহলে খুশি হবেন তো???






★ AES KOLKATA ★