মাননীয় দাদা ভাই ও মাননীয়া দিদি ভাইয়েরা নমস্কার ,,
হিন্দু রাষ্ট্রতন্ত্রের ছলনার নামে ব্রাহ্মন্যবাদী রাষ্ট্রতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি বা পুন:উত্থান না হয়ে যায় সেই বিষয়ে আপনাদের চিন্তা ভাবনার জন্য এখানে বেশ কিছু তথ্যাদি প্রভৃতিকে তুলে ধরেছি ,,
আপনাদের বিচার বিশ্লেষণের ফলাফলের হিসাবে দিশা নির্দেশনার এবং সেই হিসাবে আপনাদের সকলের এগিয়ে চলার দায় দায়িত্বতা ও আপনাদের সকলের বলে মনে করি ,,
আমাদের এই ভারতবর্ষের জন্য জাতপাতের উঁচু নীচুর ছুঁয়া ছুঁতের অস্পৃশ্যতার কুসংস্কারাচ্ছন্ন ভেদাভেদের বিষাক্ততার বিরুদ্ধে আমরা চাই ,,
জাত পাতের ভেদাভেদের বিষাক্ততা হীন , আমাদের অতীতের সেই চিরন্তনী চিরস্মরণীয় ভ্রাতৃত্ব্যবোধের সনাতনী সমাজের সেই সনাতনীত্বতার রাষ্ট্রতন্ত্রতা,,,
সনাতনীত্বতার ভারতবর্ষের বুকে হিংস্র আক্রমণ কারি শরীয়তী মৌলবাদী , ব্রাহ্মন্যবাদী , এবং আক্রমন কারি ইংরেজদের সময়ে জাতপাতের ছোট বড়োর উঁচু নীচুর অস্পৃশ্যতার ভেদাভেদের বাঁধন হীন সনাতনীত্বতার অবস্থার কিছু স্থিতি তুলে ধরছি ,,,,
আমাদের মহান সনাতনীত্বতার ভারতবর্ষের বুকে হিংস্র মুসলিম আক্রান্তা এবং দুষ্ট পাপিষ্ঠ ব্রাহ্মন্যবাদী চক্রান্তের বিষাক্ততায় ,
সনাতনীত্বাকেই শেষ করে দিয়ে জাতপাতের অস্পৃশ্যতার সৃষ্টি কারি অতি অহংকারী ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের মিলিত চক্রান্তের ফলাফলে ইসলামী সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে 1000 বছরের গোলামীর বা পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে মুসলিম এবং ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের মিলিত শাসন কালের কিছু পরিচয় ,,,
(1) মিরকাসিম 712 ইসবি , (2)মেহেমুদ গজনবী, (3) মহম্মদ ঘোরী, (4) চেঙ্গিস খাঁন, (5) কুতুবুদ্দিন আইবক, (6) গোলাম বংশ , (7) তুঘলক বংশ , (8) খিলজী বংশ, (9) লোদী বংশ (10) মুঘল বংশ ,,,,,
( 11) এবং ব্যাবসার নামে এদেশে আসা বৃটিশ রাজ্যত্ব্যের শুরু, (British) রাজ্যত্ব কাল প্রায় 150 বৎসরের মতো ছিল ,,,
ইংরেজরাও আমাদের শত্রুই ছিল ,তারা ও আমাদের অনেক অনেক ক্ষয়ক্ষতি করে অনেক অনেক ধন সম্পত্তি প্রত্নতাত্ত্বিক অনেক অনেক কিছুই লুটপাট করে নিয়ে গিয়েছে ,,
কিন্তু তারা যে তাদের রাজত্ব্য কালে ভারত বর্ষের বুকে আমাদের সনাতনী সমাজের মানুষের জন্য সামান্য কিছু কিছু কাজ হলে ও আগেকার তুলনায় সেগুলি ভালো , করে গিয়েছে এতে কোন ও ভুল হতে পারে না ,,
মানবতার প্রতি যদি শত্রুর দ্বারা ও কখনও কোনও ভালো কাজ হয়ে থাকে, তাহলে সেটাকে উল্লেখ করে তুলে ধরা ও মানবতার প্রতি একটি বিশেষ বড়ো কাজ বলে মনে করি ,
যেমন ভগবানের পূজার নামে ভগবান কে খুশী করার নামে , মন্দিরে মন্দিরে পূজারী ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের কাম বাসনার ভোগের জন্য গরীব মানুষের সুন্দরী মেয়েদের দুষ্ট পাপিষ্ঠ চক্রের দ্বারা নিয়ে দেবদাসীদের নামে মন্দিরের ঘরেই যত দিন পর্যন্ত তাদের রুপ যৌবনের সুন্দরতা থাকে ,
দেবদাসী প্রথার নামে তাদের সেই যৌবনাদীপ্ততা সময় কাল পর্যন্ত রেখে বংশোদ্ভূতের বাবা ছেলের পরম্পরায় তাদেরকে ভোগের পরে ভোগ করে চলা , তার পরে বৃদ্ধা বয়সে হাতে ভিক্ষার বাটি দিয়ে পথে বের করে দেওয়া,
মনুসংহিতার বা মনুস্মৃতির নামে হাজার হাজার বৎসরের পর বৎসর ধরে হয়ে থাকা এই দুষ্ট পাপিষ্ঠ ঘৃনিত প্রথার বিরুদ্ধে ইংরেজদের সময়েই আইনের নিয়ম কানুন করে এগুলি কে বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিলো ,
দুষ্ট পাপিষ্ঠ ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের চক্রান্তের এই রকমেরই আরও একটি দুষ্ট পাপিষ্ঠ চক্রিয় প্রথা দক্ষিণ ভারতবর্ষের কিছু কিছু জায়গায় প্রচলিত ছিল ,
হিংস্র মৌলবাদী মুসলিম ধর্মাবলম্বী এবং ব্রাহ্মন্যবাদী সমাজের মহিলাদের ছাড়া বা ভিন্ন সনাতনী সমাজেরই অন্য কোনও যুবতী মহিলা দের ক্ষেত্রে বুকের উপরে কাপড় দিয়ে স্তন ঢেকে রাখা প্রচন্ড ভাবে বড়ো দন্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গন্য করা হোতো , এবং তাদের পরিবারের লোকজনদের প্রচন্ড ভাবে হেনেস্তা করে তাদেরকে জরিমানা হিসাবে স্তন কর দিতে হোতো ,,,
এমনকি ভেদাভেদের অস্পৃশ্যতার বা ছোট বড়োর উঁচু নীচুর নামে আমাদের সনাতনী সম্প্রদায়ের অনেক সুন্দরী সুন্দরী মহিলাদেরই প্রচন্ড ভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হোতো ,,
উক্ত সমস্ত অত্যাচার গুলি ও ইংরেজরাই আইন প্রনয়ন করে শক্ত শাসন প্রশাসনের দ্বারাই বন্ধ করে ছিল ,,
নীচে এই রকমের ই আরও কিছু তথ্যাদি তুলে ধরছি , যার দ্বারা বুঝতে সুবিধা হবে ,,
আমরা কেন বলছি ,, হিন্দু রাষ্ট্রের নামে শেষ পর্যন্ত সেটা ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের শোষনের তন্ত্রে পরিনত না হতে পারে ,,
সেই জন্যই আমরা সকলে চাই , সনাতনীত্বতার রাষ্ট্রতন্ত্র , যে সনাতনীত্বতায় মানুষে মানুষে ছোট বড়োর কোন ও ভেদাভেদ নেই , জাতপাতের উঁচু নীচুর ছুঁয়া ছুঁতের অস্পৃশ্যতার কুসংস্কারাচ্ছন্নতা নেই ,,
মানুষে মানুষে সকলে এক সমান , আমরা সকলে চিরন্তনী চিরস্মরণীয় সেই সনাতনীত্বতার রাষ্ট্রতন্ত্রতা চাই ,, ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের শোষনের তন্ত্রের বিরুদ্ধে সেই জন্যই আমাদের মহা অভিযান ,,,
* 1795 সালে.. অধিনিয়ম 11 দ্বারা " শূদ্র " দের সম্পত্তি রাখার আইন তৈরি করে।
* 1773 সালে.. ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস করে ,
ন্যায় এবং সমানতা মূলক এই আইনের অনৈতিক সাহায্যে এবং অনান্য কিছু দুষ্ট প্রকৃতির মানুষের সহায়তায় 1775 সালে , এই বাংলার সামন্ত ব্রাহ্মণ সে নিজেকে বার বার দাবী করা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর চেষ্টা করার জন্য মহারাজা নন্দকুমারের ফাঁসি হয় ,,
এই অন্যায় অবিচারের ফাঁসির ফলে পরবর্তী সময়ে অবশ্য ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের মনে ইংরেজদের শাষন প্রশাসনের প্রতি কিছু টা ভয় ধরে গিয়ে , গরীব মানুষের প্রতি তাদের অন্যায় অত্যাচারের মাত্রা কিছুটা কমে গিয়ে সেই ক্ষোভ ইংরেজ শাসনের প্রতি গিয়ে দাঁড়ায় ,,
* 1804 সাল অধিনিয়ম 3 দ্বারা ইংরেজরাই কন্যা ভ্রুন হত্যা বন্ধ করে ,, তা না হলে কন্যা সন্তান জন্ম হলে তালুতে আফিম লাগিয়ে মায়ের স্থনে ধুতরা রস মাখিয়ে এবং গর্ত বানিয়ে তাহাতে চুবিয়ে সেই সমস্ত সদ্য জাত কন্যা সন্তান কে মেরে ফেলার বিধান ও ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষেরাই করে ছিল,,
* 1813 সালে ইংরেজ আইন তৈরি করে সকলের জন্য লেখাপড়ার অধিকার দেয় ,,
* 1813 সাল ইংরেজরাই এদেশের মাটিতে প্রথম মানুষ ক্রয় বিক্রয়ের দাস প্রথা বন্ধের আইন তৈরি করে ,
* 1817 সালে এই দেশের বুকে সমান নাগরিক আইন তৈরি করে ইংরেজরাই ,
এর আগে সম পরিমাণ দোষের জন্য ও শুধুমাত্র ব্রাহ্মন্য সমাজের মানুষ হবার জন্য ই ব্রাহ্মণ সমাজের মানুষের কোনো সাজা হতো না,
শুধুমাত্র অস্পৃশ্যতার নামে শূদ্রের প্রতি কঠোর সাজার প্রাবধান বা বিধান ছিল ,,
* 1819 সালে অধিনিয়ম 7 এর দ্বারা অস্পৃশ্যতাবাদের নামে শূদ্রদের নব বধু স্ত্রী দের শুদ্ধিকরণ ব্যবস্থা বন্ধ করে ইংরেজরাই ,
এর আগে ব্রাহ্মন্যবাদী সমাজের মানুষের ভোগের পরে ভোগের জন্য অশৌচ তাকে শৌচ বা শুদ্ধতার নামে শূদ্র মানুষের নব বিবাহিতা নববধূকে বিয়ের পর আগে স্বামীর ঘরে না গিয়ে ,
প্রথমে পূজারী ব্রাহ্মণের ঘরে গিয়ে তিন দিন তিন রাত থেকে সারাটা গ্রামের ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের চাহিদার খোরাকি হয়ে তাদের সুন্দর দেহের শারীরিক সেবা দিতে হতো ,,
* 1830 সালে ভগবানের দালাল ব্রাহ্মণ্য বাদী মানুষের দ্বারা ভগবানের রুষ্ট হবার বাহানায় , ভগবানের তুষ্টি করার নামে ,
অসহায় অস্পৃতার দূস্থ্য: গরীব শূদ্রতার অপরাধে , তাদের ছোট বড়ো ছেলে মেয়েদের ধরে নিয়ে অন্যায় নরবলি প্রথা বন্ধের আইন ও ইংরেজরাই প্রথম তৈরি করেছিল ,,
দেব দেবীদের প্রসন্ন্য করার নামে ছল চাতুরী তে পরিপূর্ণ ব্রাহ্মণ্য সমাজের মানুষের দ্বারা অনেক সময়েই শূদ্র স্ত্রী ও পুরুষদের এমনকি তাদের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের ও মন্দিরের পাথরে মাথা ঠুকে ঠুকে হত্যা করতো ,,
* 1833 সালে অধিনিয়ম 87 দ্বারা সরকারি সেবায় বর্ণ বৈষম্য বন্ধ করা হয় ,
অর্থাৎ শারীরিক যোগ্যতাই মাপ দন্ড করা হয়ে থাকে ,
সরকারি কাজে সেবার অধিকার কোম্পানীর আদেশে জন্ম,স্থান,ধর্ম, রং জাতির হিসাবে কোনো পদ থেকে বঞ্চিত করা যাবে না , ইংরেজরাই চালু করে,,
* 1834 সালে প্রথম ভারতীয় বিধি আয়োগ গঠন করে ইংরেজরা ,
এই আইনের ব্যবস্থাপনা হলো.. জাতি,বর্ণ, ধর্ম ক্ষেত্রের উপরে এই আইন ব্যবস্থার উদ্দেশ্যতা থাকবে,,
* 1835 সালে অস্পৃশ্যতার নামে শূদ্র সমাজের মানুষের প্রথম পুত্র সন্তান কে গঙ্গা'য় দান করা বন্ধ করে ইংরেজরাই ,,
* 1835 সালে ইংরেজরাই নিজেদের মতো করে শিক্ষা নীতি ও রাজ্যের অধীন বিষয়ক আইন প্রনয়নের নীতি তৈরি করে এবং উচ্চশিক্ষাকে ইংরেজি মাধ্যম করে
* 1835 সালে আইন তৈরি করে ইংরেজরাই ধর্মের নামে অস্পৃশ্য শূদ্র করে রাখা সমাজের মানুষদেরকে চেয়ারে বসার অধিকার দেয় ,,
* 1829 সালে ডিসেম্বর নিয়ম 17 দ্বারা রাজা রামমোহন রায়ের জন আন্দোলনের ফলে অসহায় বিধবা মহিলাদের পুড়িয়ে মারার ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের অবৈধ অমানুষিক প্রথা অর্থাৎ সতীদাহ প্রথা বন্ধ করে ইংরেজরাই ,,
ভগবানের দালাল স্বর্গ নরকের ঠেকেদার দুষ্ট পাপিষ্ঠ ব্রাহ্মণ্যবাদী সমাজের মানুষের কথায় ,
শূদ্ররা তাদের নিজেদের সুন্দরী সুন্দরী মেয়েদেরকে নিজেরাই মন্দিরে সেবার জন্য দান করে যেতো ,,
মন্দিরের পূজারীরা সেই সুন্দরী সুন্দরী বালিকা/নাবালিকাদের শারীরিক শোষণ করে যে বাচ্চার জন্ম হতো ,
তাদের কে রাস্তায় ফেলে দিয়ে হরির জন বা হরিজন নাম দিয়ে ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা নিজেদের পাপ ঢেকে রাখার চেষ্টা করতো,,
* 1921 সালে জাতীবাদ জনগণনা সংখ্যা অনুযায়ী শুধু মাদ্রাজে 4 কোটি 23 লক্ষ মানুষের মধ্যে প্রায় 2 লক্ষের মতো দেবদাসী মহিলারা সেখানকার বিভিন্ন মন্দিরে ছিল ,,
এই প্রথার কিছু কিছু প্রমাণ এখনো দক্ষিণ ভারতে রয়েছে বললেও ভুল হয় না ,,
* 1837 সালে অধিনিয়ম দ্বারা "ঠগ" প্রথা , মানে ভগবানের প্রয়োজনের নামে ব্রাহ্মন্যবাদী সমাজের মানুষের দ্বারা যার কাছ থেকে যা কিছু হোক জোর করে ছিনিয়ে নেওয়ার প্রথা বন্ধ করে ইংরেজরাই ,,
* 1849 সালে কলকাতার বুকে সর্ব প্রথম বালিকা বিদ্যালয় একজন ইংরেজ জে ই ডি বেটন , প্রতিষ্ঠা করেন,
* 1854 সালে ইংরেজরা কলকাতা, মাদ্রাজ, বম্বে , তিনটি বিশ্ব বিদ্যালয় তৈরী করে ,,
* 1902 সালে বিশ্ববিদ্যালয় আয়োগ নিজুক্ত করেন ইংরেজরাই ,,
* 1860 সালে 6 অক্টোবর ইংরেজ শাসনের কালে ইন্ডিয়ান প্যানেল কোড তৈরি করা হয় ,
ইংরেজরাই নতুন শাষনের তন্ত্রে শূদ্র নামের অস্পৃশ্যতার শিকল কেটে ভারতের জাতি, বর্ণ, ধর্ম নির্বিশেষে সকলের জন্য একই ক্রিমিনাল-ল কোর্টের আইন ব্যাবস্থ্যাপনা চালু করেন ,,
* 1863 সালে ইংরেজ আইন তৈরি করে পশু বলি প্রথা পূজা বন্ধের নির্দেশ দেয় ,,
এবং বিভিন্ন ধনী মানী ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের বিলাস বহুল ভবন এবং বাড়ি বানানোর সময়ে সেই বাড়ির বেশী দিনের স্থায়ীত্বতা ও সুরক্ষিত থাকার জন্য "শুদ্র সমাজের ছোট বড়ো ছেলে মেয়েদের বেছে-বেছে আহুতি দিতো ,,
* 1866 সালে ইংরেজ শাসন প্রশাসন বহু বিবাহ প্রথা বন্ধ করার জন্য বিশেষ একটি কমিটি তৈরি করে ,
* 1871 সালে ইংরেজ ভারতের জাতি বাদ জন গননা শুরু করে * 1941 সালে শেষ করে।
* 1872 সালে " সিভিল ম্যারেজ অ্যাক্ট " দ্বারা 14 বছরের কম বয়সী মেয়েদের এবং 18 বছরের কম বয়সী ছেলেদের.. বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দেয় ইংরেজরা ,
ইংরেজরাই প্রথম " মাহার এবং চামার " রেজিমেন্ট তৈরী করে এই জাতি সূচক সমাজের মানুষদের কে সেনা বাহিনীতে চাকরি দেয় ,,
কিন্তু * 1892 সালে "ব্রাহ্মণবাদী মানুষের " চাপে অচ্ছুৎ মানুষের নামে পরিচিত দের সেনাবাহিনীতে চাকরি বন্ধ হয়ে যায় ,
* 1918 সালে ভারতের সব জাতিকে বিধিমন্ডলে অংশগ্রহণ করার জন্য ইংরেজরা ই প্রথম চেষ্টা করে , এবং সাউজী মহারাজের কথায় পিছিয়ে পড়া নেতা ভাষ্কর রাও যাদব এবং অচ্ছুত দের নেতা.. ড. আম্বেদকর নিচু জাতের লোকদের বিধিমন্ডলে যোগ দেওয়ার জন্য মেমোরান্ডাম বা বিজ্ঞাপন ইংরেজরা ই প্রথম দেয়,,
* 1919 সালে ইংরেজরাই প্রথম ভারত সরকার অধিনিয়ম এর-গঠন করে ,,
* 1919 সালে ইংরেজরাই ব্রাহ্মণ্য সমাজের মানুষের জন্য জজ বা বিচারক হওয়া বন্ধ করে দেয় , এবং ইংরেজরা বলে যে "ব্রাহ্মণদের" মধ্যে ন্যায় চরিত্রতা বলে বিশেষ কিছুই নেই ,,
* 1927 সালে ইংরেজদের রাজ্যত্ব্য থাকাকালীন ই 25 সে ডিসেম্বর বাবা সাহেব ড.আম্বেদকর " মনুস্মৃতি (মনুসংহিতা) " দহন করেন ,,
এই মনুস্মৃতি (মনুসংহিতা) শুদ্র এবং মহিলাদের গোলাম তথা ভোগের বস্তু হিসেবে মানতেন, এক পুরুষের অগনিত বিবাহ করার ধর্মীয় অধিকার এবং মহিলা অধিকার বিহীন তথা দাসী হিসেবে মান্যতা পেতেন ,,
এক-এক মহিলাদের অগনিত সতীন থাকতো , মহিলা এবং শুদ্র দের শুধু গোলাম হয়ে থাকতে হতো, এই ব্যবস্থাকে ব্রাহ্মণবাদী মানুষেরা "মনু ধর্মের " নাম দিয়েছিল ,,
1 লা মার্চ * 1930 সালে ড. আম্বেদকর দ্বারা কালা রাম মন্দির নাসিক প্রবেশ এর আন্দোলন চালায় ,,
* 1927 সালে ইংরেজরাই আইন বানিয়ে অস্পৃশ্য শুদ্র সমাজের বানিয়ে রাখা মানুষ দেরকে সার্বজনীন স্থানে যাওয়ার অধিকার দেয় ,,
* 1927 সাল নভেম্বরে "সাইমন কমিশন" নিযুক্ত হয়ে ,,
* 1928 সালে ভারতীয় মূলনিবাসী সমাজের মানুষদের কে অচ্ছুৎ বানিয়ে রাখার পরিস্থিতি সার্ভে করে তাদের অতিরিক্ত অধিকার দেওয়ার জন্য ,,
* 1932 সাল 24 সে সেপ্টেম্বর ইংরেজ কমিউনাল অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করে অচ্ছূৎ বা শূদ্র করে রাখা মানুষের ক্ষেত্রে অনেক অনেক প্রমূখ অধিকার প্রভৃতি দেয় ,,
* 1928 সাল 19 মার্চ ব্রাহ্মন্যবাদী মানুষের তৈরী বেবারি প্রথার বিরোধে ড.আম্বেদকর মুম্বাই বিধান পরিষদে অভিযোগ করেন , এর পরে ইংরেজরা এই প্রথাকে ও বন্ধ করে দেয় ,,
* 1942 সালে 1 লা জুলাই থেকে 10 সেপ্টেম্বর * 1946 সাল পর্যন্ত ড.আম্বেদকরকে ভাইসরায় এর কার্য্য সাধন বা লেবার কাউন্সিলের মেম্বার করেন , শ্রমিক বা লেবারদের 8.3 শতাংশ প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্তা করেন ,,
* 1937 সালে ইংরেজ ভারতে প্রবেন্সিয়াল গভর্নমেন্ট এর নির্বাচন করায় , ইংরেজ শাসন প্রশাসনে ব্রাহ্মণদের 100% শতাংশ থেকে অনেক অনেক কমে মাত্র 2% দুই তিন শতাংশের মতো দাড় করিয়ে দেয় ,,
উক্ত সমস্ত বিভিন্ন কারনাদির ফলেই ব্রাহ্মণ্যবাদী সমাজের বিভিন্ন মানুষেরা দেশের স্বাধীনতার নামে ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামে ,
দেশ স্বাধীনের নামে ইংরেজ হাঁটাও নামে দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের নামে " বর্ণবাদী/বর্ণহিন্দু ব্রাহ্মণে'রা " ভারতের মূলনিবাসী দের বোকা বানিয়ে ইংরেজ কে হাঁটিয়ে ভারতবাসীকে চিরো গোলাম বানিয়ে রাখার জন্য বৎসরের পরে বৎসর ধরে চেষ্টা করে গিয়েছে ,,
আর এখনও সেই রকমের অনেক অনেক ফন্দি ফিকির ক্রমবর্ধমানভাবে করেই চলেছে ,,
অনেক অনেক মানুষের সংগৃহীত ও বিভিন্ন সময়ে পরিবেশিত বিভিন্ন তথ্যাদির অনুকরনীয় উপস্থিতি মুলক অবস্থানের ছোট্ট একটা প্রচেষ্টা মাত্র ,,
এর মধ্যে জানা অজানা অচেনা অপরিচিত অনেক অনেক মানুষের বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বিভিন্ন তথ্যাদিকে সাজিয়ে লিখেছি , তাদের সকলের প্রতি আমার বিনম্র নিবেদন জনিত প্রনাম ও নমস্কার জানিয়ে আজ তবে এখানেই শেষ করছি ,,,
ডা, এস কে মণ্ডল দা, এ জি কলোনী, হাবড়া অশোক নগর,, ও
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন