বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

গীতা পাঠ ২০২৫ পেটিস বিক্রি

 সেকুলারেরা প্যাটিস বিক্রেতার পক্ষে খুব কান্নাকাটি করছে৷ আর সেই সাথে হিন্দুদের উপর বিদ্বেষ উগরে দিচ্ছে। কিন্তু কথা হল, কেউ যদি ওই  মানবতার ধ্বজাধারীদের মাটনের নাম করে কুকুরের মাংস বিক্রি করে তাহলে তারা কি ওই মাংস বিক্রেতাকে ছেড়ে দেবে? তখন তো ওরা হাতের সুখ নিতে ছাড়বে না। অভিযোগ উঠছে ওই প্যাটিস বিক্রেতা ভেজ প্যাটিসের নাম করে চিকেন প্যাটিস বিক্রি করছিল। কম দামি জিনিসের দামে বেশি দামি জিনিস বিক্রি করার উদ্যেশ্য কি? এটা নিশ্চয়ই ব্যবসা নয়। অভিযোগ যেহেতু উঠছে তাহলে নিরপেক্ষ তদন্ত হবে না কেন? 


ওই প্যাটিস বিক্রেতাকে কয়েকজন চড় চাপাটি দেওয়ায় বামপন্থীরা গণধোলাইয়ের অভিযোগ তুলছে। এই প্রসঙ্গে একটা পুরোনো খবর বলি। ঘটনাটা ঘটেছিল বামপন্থীদের জমানাতে৷ খড়দার এক মাংস বিক্রেতা তার দোকানের ঘেরাটোপের মধ্যে লোকচক্ষুর আড়ালে মাংস কাটছিল। বিয়ের মরশুম। বড় অর্ডার পেয়েছিল। একটা কুকুর তার দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল। লোকটা রাগ করে একটা কুকুরটার দিকে কাটারি ছুঁড়ে মেরেছিল। সেটা কুকুরটার গায়ে লেগেছিল। কুকুরটা রক্তাক্ত হয়ে দোকান থেকে ছুটে বেরয়। সেটা জনতার চোখে পড়ে। তাদের ধারণা হয় ওই মাংস বিক্রেতা কুকুর কেটে মাটনের সঙ্গে মিশিয়ে দেবার তালে ছিল। ফলে তখন সেই বিক্রেতার গণ ধোলাই জোটে। দুর্নাম রটে যাওয়ায় শেষে সেই দোকানটাই বন্ধ হয়ে যায়। এটাও কিন্তু আইন নিজের হাতে নেবার ঘটনা ছিল। যেহেতু ওটা বামপন্থীদের রাজত্ব তাই এই ঘটনাটা গরীব মাংস বিক্রেতার উপর অত্যাচার বলে প্রচারিত হয়নি। বামপন্থী রাজত্বের দুর্নাম হয়ে যাবে যে!!! তাহলে ব্যাপারটা কী দাঁড়াল? কুকুরের মাংস মাটনের সাথে মেশানোর অভিযোগে যারা নিজেরাই গণধোলাই দিতে ছাড়ে না, তারা এখন সহিষ্ণুতার জ্ঞান দিচ্ছে। এরা সাঁইবাড়ি বা বিজন সেতুতে  গণধোলাই দিয়ে কিন্তু মানুষ খুন করেছিল। সেটাকে এরা এখনও আপরাধ বলে মানে না। ওটাকে জনতার বিক্ষোভ বলে চালায়। কী দিন কাল পড়ল, পেশাদার খুনিরা আজকাল আমাদের অহিংসার মাহাত্ম্য শেখাতে আসছে।

সংগ্রহ প্রবির মজুমদার 

কোন মন্তব্য নেই: