https://www.blogger.com/blogger.g?blogID=5771954015700612652#editor/target=post;postID=9195756295476364553
জয় হরিচাঁদ জয় গুরুচাঁদ।
গুরুচাঁদ ঠাকুরের শিক্ষা বিস্তার আন্দোলন।শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের বৃহওম দান.পুএ গুরিচাঁদ।শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর স্হুল দেহ ত্যাগ করেন ১৮৭৮ সালে।মাত কয়েক বৎসরের মাঝে হরিচাঁদের স্বপ্ন পূর্ণ হল।শিক্ষিত হও।আন্দোলিত হও. পিছিয়ে থাকেনি ঠাকুর হরিচাঁদের সুযোগ্য পুএ.ঠাকুর গুরুচাঁদ।তার অসাধারন প্রজ্ঞা এবং সাংগঠনিক শক্তি সম্বল করে তিনি নেতৃত্বহীন চন্ডাল সমাজে কাণ্ডারীহীন.স্বাধীনতা আর আত্নঅধিকার প্রতিষ্ঠার যুদ্বে সৈণাপত্য দিলেন। অবলীলায় অতিক্তম করে গেলেন সকল বাধা। গুরুচাঁদের আধ্যাত্নিক নেতৃত্বকে সমাজ সহজ ভাবেই গ্রহন করেছিল।হরিচাঁদ ছিলেন ভগবান। স্বয়ং সিদ্ব।ব্রক্ষা-বিষ্ণুর অবতার নয়.রাম.কৃষ্ণ.কিংবা শিবের অংশে.শ্রীরামকৃষ্ণের মতন তার জন্ম হয়নি।ঐশী জীবন তাঁর।হরিচাঁদের নামের গুনে হরিবোলের মহিমায় আতঁ মানুষের আকাঙ্কা পূরন হয়েছে।হরিচাঁদের মুখের কথায় দূর হয়েছে আধি ব্যাধি।তার পরলোক গমনে.পৃথিবীতে তারই ইচ্ছা আর অপূর্ণ স্বপ্ন পূরন সাধণাকে সিদ্বির সোপান পার করাবার জন্য জণ্ন নিয়েছিল তারই পুত গুরুচাঁদ। ১৮৪৭ সালে ফাল্গুন মাসের দোল পূর্ণিমায়।অবতারত্বে সার্থক গুরুচাঁদ।তিনি বাস্ববায়িত করলেন হরিচাঁদের সবকটি অপূর্ণ সাধনা।শিক্ষাহীনতার ব্রাক্ষণ্যবাদী ভারতবর্ষে শিক্ষাবিস্তারের চেষ্টা কত ভয়ঙ্কর বাধার সম্নুখিন হয়।তাই ভারতবর্ষের হিন্দুদের ভগবান নমঃশূদ্র জাতিদের কোন শিক্ষার অধিকার দেয় নাই। তাই মুক্তি বারিধি শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর ভারতীয় উপমহাদেশের লাঞ্জিত অবহেলিত জাতির শিক্ষার অধিকার দিলেন।তিনি বুদ্বের মতন তিনি ওজানতেন জ্ঞানই সাধনার গুরু।জ্ঞানই সাধনার মধ্য এবং জ্ঞানই সাধনার চূড়ান্ত লাভের মূল।তাই গুরুচাঁদ ঠাকুর বলেছেন"শিক্ষা যদি নাহি পায় মোদের সন্তান.শিক্ষা ছাড়া এজাতির না হবে কল্যাণ। তাই অবশেষে গুরুচাঁদ ঠাকুর ঘোষনা করেন।।আমি বলি বিদ্যাশূন্য রবে যেই জন।নমঃশূদ্র বলি তারে বল না কখন।।যেই জন বিদ্যাবান পরম পন্ডিত সমাজের পতি তারে মানিবে নিশ্চিত।।বিদ্যাছাড়া কথা নাই বিদ্যাকর সার। বিদ্যাধর্ম বিদ্যাকর্ম অন্যসব ছার।।তাই গুরুচাঁদ ঠাকুর বললেন।বিদ্যাই ধর্ম।বিদ্যাই মোক্ষ।বিদ্যা যাদের ধর্ম। মন্দির তাদের বিদ্যালয়.মহাবিদ্যালয়.বিশ্ববিদ্যালয় একারনেই আমরা দেখতে পাই মতুয়াদের এক আশ্চর্য শক্তিশালী ধর্ম সম্প্রদায় যারা কখন ওকোন মন্দির বানানোর ডাক দেয়নি।মুক্তিবারিধি শ্রীশ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর অনেক মন্দির প্রতিষঠা করেছেন তার নাম স্কুল।স্কুল প্রতিষ্ঠা করাই তার প্রধান ধর্ম।দেব দেবীর পাথরের মুর্ক্তির সামনে ঘন্টা বাজানোর সরজ্ঞাম নয়। ছোট ছোট অজ্ঞান আধারে অন্ব গ্রাম্য বালক বালিকার চক্ষু জ্ঞানাজ্ঞন শলাকায় উন্মোচন করাবার জন্য অস্যংখ্য বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিজে করেন এবং অপরদের দিয়ে করান।অবিশ্বাস্য হলে ওসত্য যে.বিদ্যাহীন গুরুচাঁদ১৮১২ টি স্কুল প্রতিষ্ঠা করিয়ে ছিলেন-চন্ডাল তথা নমঃশূদ্রদের গ্রামে গ্রামে। বিদ্যা অর্জনের বাখান করে বিদ্যা অর্জ্যনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে গুরুচাঁদ বল্লেন সকলকে।মোর পিতা হরিচাঁদ বলে গেছে মোরে।বিদ্যা শিক্ষা স্বজাতিকে দিতে ঘরে ঘরে।সংসদমন্দিরে পৌছুতে হলে যে ধর্মের দরকার সেই নবধর্মের নাম শিক্ষা ধর্ম।হাজার হাজার বছর ধরে চন্ডাল জাতি কিছু পায়নি।সেই জাতিকে প্রান দিয়ে ছিলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর। সেই জাতিকে শিক্ষা দিয়েছিলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর।গুরুচাঁদ ঠাকুর কালি মন্দির নয়.কৃষ্ণ আর রামমন্দির নয়.হনুমান আর গনেশমুর্ওি ঠাসা মন্দির নয়।প্রতিষ্ঠিত হতে থাকল একের পর এক বিধ্যামন্দির।তাই গুরুচাদ ঠাকুর ১৮৮০ সালেই শিক্ষার প্রথম মন্দির নির্মান করেন।নিজের গ্রাম ওড়াকান্দিতে।নিজের প্রচেষ্টায় নিজেদের অথব্যয়ে নিজবাড়ীর জমিতে চন্ডাল জাতির শিক্ষকতায়.শুরি হল চন্ডাল শিশুদের বিদ্যামন্দির জ্ঞানার্জনের প্রথম পাঠ। প্রথম শিক্ষক রঘুনাথ সরকার। পাঠশালা প্রতিষ্ঠার পরবৎসর অর্থাৎ ১৮৮১ সালে জমিদার ঈশ্বর গাইনের মাতৃশ্রাদ্ব সভা।দওডাঙ্গা খুলনা জেলায়।তখন গুরুচাঁদ ঠাকুর সভাপতির ভাষনে বলেছিলেন।সবাকারে বলি আমি যদি মান মোরে অবিদ্বান পুএ যেন নাহি থাকে ঘরে।।খাও বা না খা ও তাতে দুঃখ নাই। ছেলে পিলে শিক্ষা দাও এই আমি চাই। এই রকম হাজার হাজার শিক্ষার বানী দিয়েছিলেন। গুরুচাঁদ ঠাকুর ওরাজনীতির বানী অর্থনীতির বানি দিয়েছিলেন গুরুচাঁদ ঠাকুর।আজকে যদি হরি গুরুচাঁদ ঠাকুর চন্ডাল জাতি মোচন করে নমঃশূদ্র নামকরন করে ১৯১১ সালে।তাই এই জাতির কোন ধর্মের অধিকার ছিলনা। সব কিছুর অধিকার দিলেন হরিগুরুচাঁদ ঠাকুর। তাই হরিগুরুচাঁদ ঠাকুর লাঞ্জিত অবহেলিত বজ্ঞিত জাতির ভগবান ওউপাস্যক ওঈশ্বর।তাই লাজ্ঞিত অবহেলিত বজ্ঞিত দের ধর্ম হচ্ছে মতুয়া ধর্ম।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন