জয় হরি চাঁদ,
ভাবুক কবি শ্রী অশ্বিনী গোসাইয়ের নাতির মেয়ে মধ্য আন্দামানের টোগাপুর গ্রামে আছেন। গত দু-দিন আগে বারুনির আগে সেই মায়ের সঙ্গে দেখা হয়েছে। তার মুখে শ্রী আশ্বিনী গোসাইযের অনেক অজান তথ্য শুনলাম এবং তা কাগজে কিছু লিপিবদ্ধ করে নিলাম।
শ্রী আশ্বিনী গোসাইয়ের তিন সন্তান ছিল।
প্রথম কন্যা তার নাম ছিল বিমলা, দুটি পুত্র সন্তান ছিল মেজ শ্রী কালিদাস এবং শ্রী অমুল্য। কালিদাস মহাশয় খুব কম বয়সে মারা গিয়েছিলেন।
শ্রীমতি বিমলা দেবীর বিবাহ হয় শ্রী হরিবর বিশ্বাস মহাশয়ের সঙ্গে। বিমলার দুটি সন্তান প্রথম শ্রী নরেন বিশ্বাস ( আশ্বিনীর নাতি), মেয়ে সুচিত্রা দেবি ছিলেন।
শ্রী নরেন গোসাই( বিশ্বাস) মধ্য আন্দামানের বিল্লিগ্রাউন্ড এ পুনর্বাসন পেয়েছিলেন। শ্রী নরেন গোসাইযের পাঁচ মেয়ে ছিল। তারা সুনীতি, সুরিতি, বিজয়া, বিনা, লক্ষী এবং এক ছেলে শ্রী মহানন্দ বিশ্বাস। শ্রী নরেন গোসাইয়ের তৃতীয় কন্যা শ্রীমতি বিজয়ার সঙ্গে আমার সাক্ষাত হয়েছে এ বছর মহা বারুনীর দু-দিন পূর্বে । বর্তমানে আন্দামাণ নিকোবর দ্বীপের মতুয়া ধর্ম প্রচারক শ্রী হরি দাস বিশ্বাস(শ্রীমৎ গোপাল মহারাজ/ গোঁসাই অন্তরঙ্গ শিষ্য পুত্র) সঙ্গে শ্রী বিমলা দেবীর বিবাহ হয়, যার টোগাপুর বাড়িতে প্রতি বছর মহা-বারুনীর অনুস্ঠাণ হয়ে থাকে। সেখানে প্রত্যেক বছর হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। এ বছর ও বহু ভক্ত সমাবেশ ঘটে ছিল। ভক্তি মতি শ্রীমতি বিজয়ার সঙ্গে অনেক কথপোকথনে শ্রী আশ্বিনী গোসাইয়ের অনেক অজানা তথ্য জেনে তা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য লিপিবদ্ধ করলাম। অনেক আনন্দ এবং মনে ভক্তির সঞ্চয় হলো।
জয় হরিবল।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন